প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "শিক্ষার্থীদের অনুরোধ যার যার পড়ার টেবিলে ফিরে যাক"। আইনের সঠিকভাবে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আমরা তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দিচ্ছেন, যেসব কেন্দ্রে ভুল-ত্রুটি ঘটেছে সেখানে পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এদিন শফিকুল ইসলাম মাসুদ শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, গতকাল যেসব এইচএসসি পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের বিশেষ মূল্যায়ন সহায়তা ব্যবস্থা এবং যেসব কেন্দ্র এখনো পানির নিচে, সেসব বিষয়ে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি না, একই সঙ্গে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে সরকারের কী পরিকল্পনা রয়েছে?
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, বর্ষা মৌসুমে পরীক্ষা নিয়ে আমরা সকলেই উদ্বিগ্ন। আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে ছিলাম এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পরীক্ষার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। যেসব কেন্দ্রের পানি উঠেছে, তাৎক্ষণিকভাবে আমরা সেসব কেন্দ্র সরিয়ে দিয়েছি। স্থানীয় প্রশাসনকে ঐ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এ যাবৎ শুধুমাত্র কুমিল্লা সরকারি কলেজের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাছাড়া অন্যান্য যেসব গুটি কয়েক কেন্দ্রে সমস্যা হয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্র পাল্টানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, "আমরা মনে করি, যেসব শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের শুধরে দেয়া বিরাট কোন কাজ নয়। কারণ আমরা অনেক জায়গায় পরীক্ষা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছি, আবার তাদের পরীক্ষা নিতে হবে।"
মিন্টো আরও জানান, আমরা পর্যলোচনা করছি এবং যদি কোথাও প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ওঠার ফলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পারে, সেক্ষেত্রে আমরা পুনরায় পরীক্ষা নিতে পারি।
এসময় শিক্ষামন্ত্রী যে তথ্য দিয়েছেন, তাতে বর্ষা মৌসুম এড়াতে পরীক্ষা কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সে সম্পর্কে সরকার কাজ করছে। ২০২৭ সালে এসএসসি থেকে বেজ নিয়ে ধীরে ধীরে পরীক্ষার সিলেবাস পাশাপাশি এগিয়ে আনার পরিকল্পনা করছেন। এ বছরও পরীক্ষার সময় এক মাস এগিয়ে নেয়া হয়েছে এবং ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে শিক্ষাবর্ষ আনার প্রচেষ্টা চলছে। সিলেবাস কীভাবে শেষ করবে সেই বিষয়টিও আমাদের মাথায় রাখতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন