প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দুই হাজার ২৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাজেট ঘোষণা করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এর পাশাপাশি বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য এক হাজার ৬৬৫ কোটি ৯২ লাখ ১৬ হাজার ৪০০ টাকার সংশোধিত বাজেটও উপস্থাপন করা হয়। মেয়র শাহাদাত হোসেন নিজের মেয়াদে দ্বিতীয় বাজেট ঘোষণার সময় চট্টগ্রাম মহানগরকে ক্লিন-গ্রিন, হেলদি ও সেইফ সিটি, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এবং অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাসযোগ্য নান্দনিক পর্যটন নগর হিসেবে প্রতিষ্ঠার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটেও অন্যান্য বারের মত সর্বোচ্চ ৯৭৫ কোটি টাকা উন্নয়ন অনুদান খাতে আয় ধরা হয়েছে। এছাড়াও হার কর ও অভিকর খাতে ৪২৬ কোটি টাকা এবং বকেয়া কর খাতে ১৯৭ কোটি টাকা আয় ধরা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে সর্বোচ্চ ৮২৫ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে উন্নয়ন খাতে, এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে বেতন ভাতা ও পারিশ্রমিক খাতে। অনুষ্ঠানে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের জন্য কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করাই আমার লক্ষ্য। অতীতে অযৌক্তিকভাবে যেসব গৃহকর নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেগুলো যৌক্তিক করতে নিয়মিত রিভিউ বোর্ড বসানো হচ্ছে। যাচাই বাছাইয়ের পর সঠিক ও ন্যায্যভাবে কর নির্ধারণ করা হচ্ছে।’ তিনি যোগ করেন, ‘বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই। বন্দর, রেলওয়ে, ৩৬টি কনটেইনার টার্মিনাল ও অয়েল কোং লিমিটেডসহ বড়ো শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও করপোরেট সংস্থাগুলোকে অবশ্যই তাদের নিকট প্রাপ্য রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে। কারণ রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন