প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলন আমার শহর চট্টগ্রাম’ ক্যাম্পেইনের মেগা ইভেন্টটি চট্টগ্রামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, খাবার, জীবনযাপন এবং মানুষের আবেগ ও স্মৃতির উদযাপন হিসেবে ৩ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের নেভি কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বন্দরনগরীর পরিচিত ও অচেনা নানা গল্প ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়।বাংলাদেশের প্রতিটি শহরের রয়েছে নিজস্ব পরিচয়, ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি, খাবার এবং মানুষের সঙ্গে শহরের একটি বিশেষ আবেগের সম্পর্ক। দেশের বিভিন্ন শহরের এসব গল্পকে নতুনভাবে আবিষ্কার করে সারা দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে সিলন টি ‘সিলন আমার শহর’ ক্যাম্পেইন শুরু করে। এই যাত্রার প্রথম শহর হিসেবে চট্টগ্রামকে নির্বাচিত করা হয়।ক্যাম্পেইনের শুরু থেকেই চট্টগ্রামের জনগণকে এর সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার জন্য সিলন টি উদ্যোগ গ্রহণ করে।চট্টগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে বিশেষ নকশার সিলন টি প্যাকেজিং বাজারে আনা হয়। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও শহরকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন পরিচালিত হয়। ‘আমার শহর’ ডিজিটাল কনটেস্টের মাধ্যমে চট্টগ্রামের মানুষকে তাদের প্রিয় শহর নিয়ে ব্যক্তিগত স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও গল্প শেয়ার করার আহ্বান জানানো হয়। বিপুলসংখ্যক অংশগ্রহণকারীর মধ্যে থেকে প্রতি সপ্তাহে নির্বাচিত সাপ্তাহিক বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত বিজয়ীদের মেগা ইভেন্টে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।‘সিলন আমার শহর—চট্টগ্রাম’ মেগা ইভেন্টে পুরো আয়োজনজুড়ে চট্টগ্রামকে নতুনভাবে আবিষ্কারের সুযোগ ছিল। পুরোনো চট্টগ্রামের ইতিহাস, স্থাপত্য ও ঐতিহ্য থেকে শুরু করে বন্দর ও রেলওয়ের গল্প, শহরের সংস্কৃতি, সংগীত, জীবনযাপন এবং বৈচিত্র্যময় খাবার বিভিন্ন অভিজ্ঞতামূলক উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।চট্টগ্রামের নিজস্ব খাদ্যসংস্কৃতিকে বিশেষভাবে উদযাপন করা হয়। মেজবান, বেলা বিস্কুট, চায়ের আড্ডা এবং স্থানীয় স্বাদের নানা উপাদানের মাধ্যমে চট্টগ্রামের মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও সংস্কৃতির পরিচিত রূপ ফুটে ওঠে।এছাড়া, চট্টগ্রামের সংগীত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে বিশেষ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।৫০ এর অধিক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের অংশগ্রহণে জমজমাট হয়ে ওঠে “সিলন আমার শহর-চট্টগ্রাম” মেগা ইভেন্ট। সাবিলা নূর, সামিরা মাহি, এস.পি. ক্রিয়েশন, রেজভি আহমেদ, বেংগলি বইন, সম্পদ, জিসান এবং আরও অনেক ক্রিয়েটর নিজেদের কনটেন্ট ও উপস্থিতির মাধ্যমে চট্টগ্রামের ভিন্ন ভিন্ন গল্প তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ‘সিলন আমার শহর বিশেষ ব্যক্তিত্ব সম্মাননা’। চট্টগ্রামের পরিচয়, সংস্কৃতি ও সমাজকে সমৃদ্ধ করার জন্য ছয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।চট্টগ্রাম ছিল ‘সিলন আমার শহর’-এর প্রথম গন্তব্য। মেগা ইভেন্টের মাধ্যমে চট্টগ্রাম অধ্যায়ের উদযাপন সম্পন্ন হলেও ‘আমার শহর’-এর যাত্রা এখানেই শেষ হচ্ছে না। বাংলাদেশের প্রতিটি শহরের রয়েছে একেকটি নিজস্ব গল্প। চট্টগ্রাম তার গল্প বলেছে। এখন ‘সিলন আমার শহর’-এর পরবর্তী গন্তব্য কোন শহর হবে, সেই অপেক্ষা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন