প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাদারীপুরে মানবপাচার মামলায় প্রধান আসামি জাহিদুল ইসলাম (৩৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া জাহিদুল ইসলাম গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর উপজেলার গোহালা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে পুলিশ তাকে আদালতে পাঠায়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, সদর উপজেলার চর খোয়াজপুর গ্রামের মৃত বজুল হাওলাদারের ছেলে সানাউনল্লাহকে(২২) গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর উপজেলার গোহালা গ্রামের মানবপাচারকারী জাহিদুল ইসলামের সাথে সরাসরি ইতালি নেয়ার চুক্তি হয়। উল্লেখিত চুক্তি মোতাবেক ২০ লাখ টাকা দিলে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর সানাউল্লাহকে সৌদিআরব হয়ে লিবিয়া নিয়ে আটকে নির্যাতন চালাচ্ছে দালালচক্র।
এরপর নির্যাতনের ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে সানাউল্লাহর পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণের জন্য আরো ২০ লাখ টাকা আদায় করা হয়। ধারদেনা করে মাফিয়াদের কাছে মোট ৪০ লাখ টাকা তুলে দিলেও গত ৬ মাস ধরে ওই যুবকের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবার আশঙ্কা করছে দালালচক্র সানাউল্লাহকে নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে।
এই ঘটনায় গত পহেলা জুন সানাউল্লাহর দুলাভাই, দুধখালী গ্রামের আব্দুর রশিদ খানের ছেলে রনি খান (৩৭) বাদী হয়ে মাদারীপুর মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে চক্রের প্রধান আসামী জাহিদুলসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে সদর মডেল থানায় মামলাটি এজাহারভুক্ত করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় জাহিদুলকে গ্রেফতার করে সদর মডেল থানার পুলিশ।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, ‘মানবপাচার মামলায় প্রধান আসামী জাহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে এই ঘটনার সাথে জড়িত শিবচরের কেরানীবাট গ্রামের সামাদ খানের মেয়ে কুলসুম বেগম (৪২)কে গ্রেফতার করা হয়। মামলার বাকি আসামিদের ধরার জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন