প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টেতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। তবে শান্তিচুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনা আগের আলোচনাগুলোর তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন।
আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে এই মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক চুক্তি আলোচনায় অভিজ্ঞ সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ ব্রাইজা। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, 'এই আলোচনা করার দলটি অতীতে আমি যেসব দলে কাজ করেছি, সেগুলোর মতো নয়। সাধারণত আমরা আগে থেকেই বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের একটি শক্তিশালী দল তৈরি করতাম।'
পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ একটি অত্যন্ত জটিল বিষয় উল্লেখ করে ব্রাইজা বলেছেন, 'মার্কিন দলের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে উচ্চ পর্যায়ের কারিগরি বিশেষজ্ঞের অভাব রয়েছে। তবুও ইরানি প্রতিনিধিদলের পরিস্থিতি ভিন্ন। আমি মনে করি না মার্কিন দলে সেই ধরনের বিশেষজ্ঞ রয়েছেন, তবে ইরানিদের আছে।'
এছাড়া পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত খুঁটিনাটি বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদ্ব্যতি আমরা জানি সেগুলো সম্ভবত দ্বিতীয় ধাপের আলোচনায় আসবে বলেও জানান তিনি।
ব্রাইজা মার্কিন আলোচকদলকে 'খুবই ছোট, সীমিত এবং ঘনিষ্ঠ পরিসরের' বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, 'আমাদের সময় ভাইস প্রেসিডেন্টের মতো কোনো উচ্চপর্যায়ের নেতা সাধারণত তখনই আলোচনা করতে যুক্ত হতেন, যখন প্রায় সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে আসত।'
তবে আলোচনা চলমান অবস্থায় তাদের অংশগ্রহণ খুবই বিরল। বিশেষ করে, তার মতে, এর কারণ হলো কোনো শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তি চাইবেন না যে আলোচনা ব্যর্থ হলে তার ওপর দায় বর্তাক। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ ব্রাইজা বলেন, 'সাধারণত এমন নেতারা তখনই যুক্ত হন, যখন চুক্তি প্রায় সম্পন্ন। কারণ আলোচনা যদি মাঝপথে ভেস্তেও যায়, তাহলে তার দায় তারা নিতে চান না।'
এদিকে সুইজারল্যান্ডের নিডওয়ালডেনের বিলাসবহুল পাহাড়ি রিসোর্ট বুর্গেনস্টেতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা চলছে। এই বৈঠকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে কাতার ও পাকিস্তান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন