প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) ভেজাল খাদ্য বিক্রি প্রতিরোধ এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।
আজ জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিধিবদ্ধ সংস্থা বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর আওতায় নিয়মিত বাজার তদারকি, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ এবং সরকার স্বীকৃত সরকারি ও বেসরকারি পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তিনি জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্য, যেমন- আম, শুঁটকি, খেজুরের গুড়সহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, বিক্রয় ও বিপণনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩ হাজার ৩৪০ জন খাদ্যকর্মীকে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে ১৫টি সচেতনতামূলক সেমিনার, কর্মশালা ও কর্মসূচি এবং ৯৪টি সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে ৯ হাজার ৪০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিএফএসএর প্রধান কার্যালয়, জেলা ও মহানগর কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তারা ভেজাল প্রতিরোধে ৬ হাজার ৪৪৪টি খাদ্য স্থাপনা ও বাজার তদারকি করেছেন।
তিনি বলেন, সরকার স্বীকৃত সরকারি ও বেসরকারি পরীক্ষাগারে ৬৭০টি খাদ্য নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া মোবাইল ল্যাবের মাধ্যমে ৩ হাজার ৫৭৪টি এবং মিনি ল্যাবের মাধ্যমে ৪ হাজার ৯৩৮টি খাদ্য নমুনার তাৎক্ষণিক পরীক্ষা করা হয়েছে।
মো. আব্দুল বারী আরও জানান, নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর আওতায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত ও ভেজাল প্রতিরোধে ১৭১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে ২ হাজার ৩৯০ জন গৃহিণীর অংশগ্রহণে ৫১টি সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নির্মিত নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক ৪টি টেলিভিশন বিজ্ঞাপন বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে মোট ২২৪ মিনিট প্রচার করা হয়েছে।
এছাড়া জনগণ ও খাদ্য ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে মসুর ডাল, খাদ্যে ক্ষতিকর হাইড্রোজ, গুড়ে ক্ষতিকর রাসায়নিক এবং অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার পরিহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে ২২টি গণবিজ্ঞপ্তি ৬৯টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন