প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলমান সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ইয়েমেনে গত কয়েক সপ্তাহে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন দুই লাখের বেশি মানুষ। নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল (এনআরসি) জানিয়েছে, নতুন করে শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত দেশটির খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
এনআরসির তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতের ফলে ইয়েমেনের তাইজসহ বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধাপরতীর পরিবর্তন ঘটেছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এবং জরুরি ত্রাণ বা নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর প্রবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এনআরসির অ্যাডভোকেসি ম্যানেজার অ্যালিসন বটমলে জানিয়েছেন, এই নতুন সংঘাত শুরু হওয়ার আগেই ইয়েমেন বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখোমুখি ছিল।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরবরাহ লাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে তাইজ অঞ্চলে খাদ্যের দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। যদি পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকে, তবে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দেশটির আটার মজুদ ফুরিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহও হুমকির মুখে পড়েছে।
এনআরসির সহায়তায় পরিচালিত বাস্তুচ্যুত মানুষের ক্যাম্পগুলোর পরিস্থিতি তুলে ধরে অ্যালিসন বলেন, কিছু কিছু এলাকায় এসব ক্যাম্পের আকার দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ঘরছাড়া এসব পরিবারগুলোর অধিকাংশই কোনো ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ছাড়াই আশ্রয়শিবিরে এসে পৌঁছাচ্ছেন।
বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, "যাঁরা ঘর ছেড়ে পালিয়ে আসছেন, তাঁদের সবার মুখে একই কথা—তাঁরা সবকিছু পেছনে ফেলে খালি হাতে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।" সূত্র: আল জাজিরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন