প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সূচনা হওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতে পেট্রলের দাম গড়ে ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ডিজেলের দাম ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কারণে জ্বালানির দাম দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ইউরোপীয় কমিশনের সাপ্তাহিক তেলবাজার প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে ২৩ ফেব্রুয়ারি ইইউতে করসহ প্রতি লিটার পেট্রলের গড় দাম ছিল ১.৬৪ ইউরো। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে তা বেড়ে ২.০৪ ইউরোতে পৌঁছেছে। ডিজেলের দাম তুলনামূলকভাবে আরো দ্রুত বেড়েছে। একই সময়ে প্রতি লিটার ডিজেলের গড় দাম ১.৫৯ ইউরো থেকে বেড়ে ২.১১ ইউরোতে পৌঁছেছে, যা প্রায় ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার কারণে তেল উৎপাদন কেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর উপর হামলার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এছাড়া, হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেল ও পরিশোধিত জ্বালানি পরিবহন নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। সংঘাতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে। এর প্রভাব ইউরোপের খুচরা জ্বালানি বাজারেও পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপে ডিজেলের সরবরাহ তুলনামূলকভাবে কম থাকায় পেট্রলের তুলনায় ডিজেলের দাম বেশি হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইইউভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পেট্রলের দাম সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ডে। অন্যদিকে, ডিজেলের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বুলগেরিয়ায়। দেশটিতে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম প্রায় ৪৭ শতাংশ বেড়ে ১.২৩ ইউরো থেকে ১.৮১ ইউরোতে উন্নীত হয়েছে। সূত্র : আনাদোলু
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন