প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আওয়ামী লীগ, যা বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ, এর আমলে সংঘটিত গুম-খুনের বিচারের দাবিতে আজ রাজধানীতে সমাবেশ করবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। বিকাল ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এ ছাড়াও, আগামী ৪ জুলাই দেশের সব জেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করবে ১১ দল। গতকাল রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন ছিল ১১-দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে। এর আগে সকালে ১০টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১-দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, "বিচারহীনতার সংস্কৃতি এখনো চলমান। ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা চলছে।" তিনি আরও বলেন, "জুলাই গণহত্যার বিচার এখনো হয়নি এবং এ বিচার প্রক্রিয়া ধীরগতিতে রাখা হয়েছে।" কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের কর্মসূচি রুখে দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের রয়েছে উল্লেখ করে হামিদুর রহমান জানান, "যদি সরকার ফ্যাসিবাদের উত্থান ঠেকাতে না পারে, তবে ১১ দল দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এটি রুখে দেবে।" তিনি যোগ করেন, "বিচার প্রক্রিয়ার শিথিলতার কারণে ফ্যাসিবাদের উত্থানের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।"
হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন যে, বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে এবং হামলার ঘটনা ঘটছে। তিনি আরও বলেন, "যখন ১১ দল বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তখন তাদের ওপর সরকারি দলের লোকজন হামলা চালায়।" রাজধানীর আজকের সমাবেশ থেকে হামলা ও খুনের বিচার দাবি জানানো হবে। তিনি নৃশংসতা, সরকারের ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদের পৃষ্ঠপোষকতার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। হামিদুর রহমান বলেন, "৪ জুলাই জেলার কর্মসূচিতেও গুম ও খুনের বিচার দাবি রাখা হবে। সন্তোষজনক ওই দিন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রতিবাদ ও দাবি থাকবে।"
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন রানা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন