প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আগামী ১৬ থেকে ৩০ আগস্ট সারা দেশে পালিত হতে যাচ্ছে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬। দুই সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একই অনুষ্ঠানেই মৎস্য উৎপাদন, গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, সম্প্রসারণ, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য ১৩টি ক্যাটাগরির আওতায় ১৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পদক (স্বর্ণপদক) প্রদান করা হবে।
আজ রাজধানীতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
মন্ত্রী জানান, আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়াম মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় মৎস্য পক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করবেন এবং নির্বাচিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে জাতীয় মৎস্য পদক তুলে দেবেন।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় মৎস্য পদক দেশের মৎস্যখাতে অসামান্য অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এ বছর গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, মৎস্য উৎপাদন, সম্প্রসারণ, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ মোট ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এ পদকে ভূষিত হবেন। এর ফলে মৎস্যখাতে উদ্ভাবন, বিনিয়োগ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্টদের আরও উৎসাহিত করার প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তিনি।
মন্ত্রী আরো জানালেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সেমিনার, মৎস্য মেলা, সফল মৎস্যচাষিদের সম্মাননা, পোনা মাছ অবমুক্তকরণ, প্রযুক্তি প্রদর্শনী, গণসচেতনতামূলক প্রচার এবং মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণবিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে নিরাপদ মাছ উৎপাদন, টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদ এবং মাছের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্যখাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে ও রেখে চলেছে। সরকার এই খাতকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও রপ্তানিমুখী করতে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন