প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গবেষণার সুফল প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে গবেষণার সুফল প্রান্তিক কৃষকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, "শুধু গবেষণা করলেই হবে না; গবেষণার বিষয় নির্বাচন, গবেষণাপদ্ধতি, ফলাফল বিশ্লেষণ থেকে আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশ—প্রতিটি ধাপেই গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।"
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ‘ফ্রম রিসার্চ আইডিয়া টু কিউ১ জার্নাল পাবলিকেশন’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
অধ্যাপক আসলাম হোসেন আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা। আর সেই জ্ঞান সমাজ ও বিশ্বের সামনে তুলে ধরার কার্যকর মাধ্যম মানসম্মত গবেষণা প্রকাশনা।" তিনি উল্লেখ করেন, গবেষণা যদি কেবল গবেষণাগার বা ব্যক্তিগত নথিতে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে তার প্রকৃত মূল্য পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব নয়।
গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হলে তা একাডেমিক সমাজ, নীতিনির্ধারক, শিল্পখাত ও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়।
ইউজিসি সদস্য বলেন, "গবেষণা ও প্রকাশনা একে অপরের পরিপূরক।" তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে গবেষণা প্রকাশিত হলে তা গবেষকের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতারও প্রতিফলন ঘটায়।
তিনি আরও বলেন, "নিয়মিত ও উচ্চমানের গবেষণা প্রকাশনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক দৃশ্যমানতা ও একাডেমিক মর্যাদা বাড়ায়।"
এছাড়া, বৈশ্বিক গবেষণা সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়।
বর্তমান সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে উল্লেখ করে আসলাম হোসেন বলেন, "এ ক্ষেত্রে তরুণ গবেষকদের আরও বেশি করে এগিয়ে আসতে হবে।" তিনি মনে করেন, তরুণদের মেধা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে পারলে গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে দেশ আরো এগিয়ে যাবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান। তিনি বলেন, "গবেষণায় নতুন কিছু সৃষ্টি করতে হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মৌলিক জ্ঞান ও গবেষণা নৈতিকতার ভিত্তি শক্ত করতে হবে।"
মাভাবিপ্রবিকে গবেষণাবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও প্রকাশনার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন