প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অন্তত আটজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন ইরানে। এই ঘটনার কঠোর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে পুরো অঞ্চলে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমের মাধ্যমে হরমুজগান প্রদেশের প্রতিনিধি আহমাদ মোরাদি জানান, গত দুই রাতে এই দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশে মার্কিন হামলার কারণে ৭-৮ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একটি সেতুতে হামলার কারণে দুটি গাড়ি বিধ্বস্ত হয় এবং ৬ জন নিহত হন। এছাড়াও, বন্দর আব্বাসের একটি এলাকায় হামলায় এক মহিলা ও জ্বালানি সরবরাহকারী এক চালক আগুনে পুড়ে মারা যান। এই মর্মান্তিক হামলার ফলে এক বছর বয়সী এক শিশুর একটি অঙ্গ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এই হামলার জোরালো জবাব দিয়েছে। তারা জর্ডানের আল-আজরাক মার্কিন বিমানঘাঁটিতে একযোগে ধ্বংসাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসির দাবি, এই হামলায় অন্তত দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং বেশ কয়েকটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জর্ডানের পবিত্র ভূমি থেকে মার্কিন বাহিনীকে উৎখাত করার জন্য জর্ডানের সেনাবাহিনীর প্রতিও আহ্বান জানিয়েছে ইরান।
দোহা থেকে সাংবাদিক লরা খান জানিয়েছেন, এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলো বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তারা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে এবং গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়ে চলেছে। তাদের পাশাপাশি ইরানের অব্যাহত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নিন্দাও জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য দেশগুলো কূটনীতির ওপর জোর দিচ্ছে, তবে বর্তমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান—কেউই এখনই পিছু হটতে রাজি মনে হচ্ছে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন