প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কানাডার ক্যালগেরিতে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘ক্যালগেরি বাংলা স্কুল গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরি (বিসিএওসি) ও ক্যালগেরি বাংলা স্কুলের যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি ক্যালগেরির বাংলাদেশ সেন্টারে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।
এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল মাতৃভাষা শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে প্রবাসের নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা। অনুষ্ঠানের মূলপর্ব শুরু হয় কানাডা ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। উপস্থিত অতিথি, অভিভাবক ও কমিউনিটির সদস্যরা সম্মান জানাতে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগেরির স্কুলিক স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিস হক। তিনি মাতৃভাষা ও সাংস্কৃতিক পরিচয় ধরে রাখার গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেন নতুন প্রজন্মের জন্য।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিসিএওসি-এর সভাপতি ইকবাল রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ক্যালগেরি বাংলা স্কুল অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই ধারাটা অব্যাহত থাকবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের সন্তানেরা যেন তাদের শিকড় ও মাতৃভাষার সঙ্গে যুক্ত থাকে, এই স্কুল সেই স্বপ্নকেই বাস্তবে রূপ দিচ্ছে। এমন একটি প্রতিষ্ঠানের অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত।’
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জনাব আসিফ হোসেন ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘ক্যালগেরি বাংলা স্কুল কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে এবং আমাদের পুরো টিমের মধ্যে এটি অন্যতম সফল উদ্যোগ।’ শিক্ষক, স্বেচ্ছাসেবক ও অভিভাবকদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এই স্কুল আগামী দিনে আরও বড় সাফল্য বয়ে আনবে এবং কমিউনিটির গর্ব হয়ে থাকবে।’
এছাড়া বক্তব্য রাখেন ক্যালগেরি বাংলা স্কুলের অধ্যক্ষ মো. আসজাদ হোসাইন, শ্রদ্ধেয় শিক্ষিকা মুনিয়া রহমান, এবং বিসিএওসি-এর আইটি সম্পাদক সুলতানুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্কুলের প্রাক্তন অধ্যক্ষরা, কমিউনিটির বিশিষ্ট সদস্য ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল কৃতী শিক্ষার্থীদের সনদপত্র বিতরণ। শিক্ষার্থীদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস এবং অভিভাবকদের উপস্থিতি এক আবেগঘন আবহ তৈরি করে। এরপর শিক্ষার্থীদের চমৎকার সাংস্কৃতিক পরিবেশনা মুগ্ধ করে উপস্থিত দর্শকদের।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন