প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে কক্সবাজারকে একটি বড় পর্যটন হাবে রূপান্তরিত করার। সরকারের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা সমন্বিত উন্নয়ন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন ভিত্তিক পদ্ধতির উপর জোর দিচ্ছে।
আজ, ২৩ জুলাই, ২০২৬ তারিখে ঢাকা, বাংলাদেশ সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন বালুকাময় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারকে আমরা একটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন হাবে পরিণত করতে চাই।’ এই তথ্য এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
কক্সবাজার জেলার সমন্বিত উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা, বিশেষ করে পর্যটন খাতের উন্নয়ন পর্যালোচনা করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
আফরোজা খানম জানান, দেশের প্রধান পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজারে পর্যটন সুবিধা বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের হোটেলগুলো আধুনিকায়নের উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করেছে।
তিনি কক্সবাজারের উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব পর্যটন (ইকো-ট্যুরিজম) মডেল গ্রহণের পরামর্শ দেন এবং বলেন, পর্যটনের সম্প্রসারণ পরিবেশ সংরক্ষণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে নিতে হবে।
সরকার কক্সবাজারকে একটি বড় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সকল অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।
বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে আফরোজা খানম বলেন, সরকার অচিরেই কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধনের আশা করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করতে চাই। নতুন এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হলে কক্সবাজার বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর প্রস্তাবের ভিত্তিতে কক্সবাজারের জন্য একটি নতুন মহাপরিকল্পনা (মাস্টারপ্ল্যান) প্রণয়ন করা হবে।
তিনি জানান, এই মহাপরিকল্পনার উদ্দেশ্য হবে কক্সবাজারকে আধুনিক ও বিশ্বমানের পর্যটন হাবে রূপান্তর করা।
বৈঠকে মেরিন ড্রাইভের বিভিন্ন স্থানে দর্শনার্থী কেন্দ্র (ভিজিটরস পয়েন্ট) স্থাপন এবং এই অঞ্চলে একটি ব্লু ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল।
বৈঠকের শেষে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অংশীজনদের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করে কক্সবাজারকে একটি স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে অবিলম্বে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন।
বৈঠকে অর্থ বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার সিনিয়র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন