প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এবারের পরীক্ষাগুলি দেশের সব শিক্ষাবোর্ডে একই প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে।
এই পরীক্ষা আগামীকাল শুরু হয়ে ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে, যার অন্তর্ভুক্ত থাকবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড এ বিষয়ে জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের কোনো সম্ভাবনা নেই।
এছাড়া, আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলছেন, প্রশ্নফাঁসে কোনো সুযোগ নেই। সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যদি প্রশ্নফাঁসের মতো কোনো ঘটনা ঘটে, তাহলে সারা দেশে সেই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে পরে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, সব শিক্ষাবোর্ডে একই মানদণ্ড বজায় রেখে উত্তরপত্র মূল্যায়ন এবং প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।
পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী। এটি গতবারের তুলনায় ১৯ হাজার ৪৭২ জন বেশি। যাদের মধ্যে ৯ সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন এবং মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২ লাখ ৮৬৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এতে উল্লেখযোগ্য যে, পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা এ বছর সর্বমোট ২ হাজার ৯৯৭ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪০টি ঢাকায়।
এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু করতে প্রশ্নপত্র বিতরণ, খাতা সংরক্ষণ, কোন ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে, শৌচাগার তল্লাশিসহ ৩৫টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, যদি কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল ধরা পড়ে, তাহলে শুধু পরীক্ষার্থী নয়, সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন