প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রায়ের ৭ মাস অতিবাহিত হলেও জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩ জনের সাজার আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। একই রকম অবস্থা আরও কয়েকটি মামলার ক্ষেত্রেও বিদ্যমান। যদিও আইন অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালে আপিলের জন্য ৩০ দিনের মধ্যে এবং আপিল করার পর তা ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, আপিল শুনানির জন্য এখনও প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়নি প্রসিকিউশনের প্রস্তুতির অভাবে।
চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান দমাতে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞের ঘটনা ঘটে এবং ৫ আগস্ট ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশকে মৃত্যুর মুখে ফেলে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালসহ একের পর এক পালিয়ে যান আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও দলীয় নেতাগণ।
গত বছরের ১৭ নভেম্বর জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মামলায় একটি অভিযোগের ভিত্তিতে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আরেকটি অভিযোগে তাদের আমৃত্যু কারাদণ্ডের শাস্তি দেয়া হয়। একই মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হওয়ায় তাকে পাঁচ বছরের সাজা প্রদান করা হয়।
গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা ও কামালের সাজা বাড়ানোর জন্য মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করে প্রসিকিউশন। কিন্তু ওই আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনো হয়নি। আইন অনুসারে ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির কথা বলা হলেও এর বাস্তবায়ন হয়নি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ৬০ দিনের ডাইরেক্টরি বিধান রয়েছে। যদি ৬০ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি না হয়, তবে আপিলটি এনফ্রেকচুয়াস হয়ে যাবে না। মানে আপিলটি বহাল থাকবে। আর মেন্ডেটরি হয় সেই বিষয়টিতে, যেখানে কনসিকোয়েন্সটি বহাল থাকে।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, প্রস্তুতির অভাবের কারণে আপিল শুনানি আটকে আছে। একই অবস্থায় রয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানে চাঁনখারপুলে হত্যাযজ্ঞ এবং আশুলিয়ায় হত্যাকাণ্ড ও মরদেহ পোড়ানোর মামলা।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, আমরা এখন পর্যন্ত শুনানির জন্য কোনো উদ্যোগ নেইনি। আমরা উদ্যোগ নিইনি কারণ, আমাদের প্রস্তুতি নিতে পারেনি আপিলটির জন্য।
এদিকে, জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবউল আলম হানিফ এবং জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর মামলার রায় অপেক্ষাধীন রয়েছে। এগুলোর রায় মাসের মধ্যে আসতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন