প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় গত দুই দিনে বিএনপি অফিসে ভাঙচুরের পাশাপাশি থানার এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনার জন্য পৃথক মামলা ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু এই ঘটনার মধ্যে এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
মোহাম্মদপুর থানাধীন জেনেভা ক্যাম্পের বি-ব্লকের ১১৭ নম্বর ভবনের নিচতলায়, গত ২৮ জুলাই রাতে স্থানীয় বিএনপি অফিসে মাদক কারবারিদের দ্বারা ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে মো. আজম নামের একটি ব্যক্তি মোহাম্মদপুর থানায় অভিযোগ করেছেন।
তার অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে ছয় থেকে সাতজন তার অফিসের দেয়ালে থাকা বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবি ভাঙচুর করে। তিনি ওই সময়ে চিৎকার করলে, বশির নামের একজন ঘটনাস্থলে এসে তাকে রক্ষা করেন। এসময় হামলাকারীরা বশিরের কপালে সজোরে আঘাত করে। হামলাকারীরা তাকে অফিস না ছাড়লেই প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
স্থানীয় জনগণের মন্তব্য অনুযায়ী, বিহারি ক্যাম্প বিএনপি অফিসে হামলার ঘটনায় স্থানীয় মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীরা যেমন উল্টা সালাম, ইমতিয়াজ, ন্যাটা সালাম, ইরফান, সামিরসহ মোট ১০-১২ জন জড়িত রয়েছে।
অন্যদিকে, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটায় মোহাম্মদপুর থানার পাশে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শনিবার (১ আগস্ট) মামলা দায়ের করেছেন ফারজানা কবির শান্ত। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে ফুচকা দোকানি মুন্নাসহ আটজনের নাম এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যাচ্ছে, সংঘর্ষের সময় দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। তারা বর্তমানে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মামলা ও অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন জানান, একটি ফুচকার দোকানে ভ্যানের ধাক্কা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এই ঘটনার ফলে উভয় পক্ষের দুইজন করে মোট চারজন আহত হয়েছেন। একজন পক্ষ মামলা করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন আছে।
বিএনপি অফিসে হামলার বিষয়ে ওসি মেজবাহ উদ্দিন বলেছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন