প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তিন বছর আগে পোশাকশ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম বেতন সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সম্প্রতি, শ্রমিকরা রাজধানী মিরপুর ও গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে ৩০ হাজার টাকার বেতন বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছেন। পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষও ঘটেছে।
আজ রবিবার (১ নভেম্বর) সরকার পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের জন্য একটি ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন বোর্ডের ঘোষণা দেন।
শ্রম আইন, ২০০৬-এর সংশোধিত ধারা ১৩৯ অনুযায়ী, বোর্ডের দায়িত্ব হবে সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ করা। সরকার বোর্ডের সুপারিশ পর্যালোচনা করে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত করবে এবং গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে তা কার্যকর করবে।
এর আগে ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর পোশাকশ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরির পাশাপাশি গ্রেডভিত্তিক মজুরি নির্ধারণ করে সরকার গেজেট প্রকাশ করেছিল, যা বর্তমানে কার্যকর রয়েছে।
বর্তমান মজুরিকাঠামোয় ১ নম্বর গ্রেডের পোশাকশ্রমিকদের সর্বোচ্চ মোট মজুরি ১৪ হাজার ৭৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রেড ২–এ মোট মজুরি ১৪ হাজার ১৫০ টাকা, গ্রেড ৩–এ ১৩ হাজার ৫৫০ টাকা এবং গ্রেড ৪–এ ১৩ হাজার ২৫ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বশেষ গ্রেড ৫–এ ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, পোশাকশিল্পের কর্মচারীদের জন্য ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কর্মচারীদের জন্য চারটি গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে, যার সর্বোচ্চ গ্রেডে মোট মজুরি ১৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং শিক্ষানবিশ কর্মচারীর মজুরি ৯ হাজার ৯৫০ টাকা।
২০২৩ সালের আগে সর্বশেষ পোশাকশিল্পের মজুরিকাঠামো ২০১৮ সালে ঘোষিত হয়েছিল। সেবার শ্রমিকদের জন্য ৭টি গ্রেডে মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল, যেখানে ন্যূনতম শ্রমিক মজুরি ৮ হাজার টাকা ছিল।
১৯৯৪ সালে প্রথম মজুরি বোর্ডে পোশাকশ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর ২০০৬ ও ২০১০ সালে মজুরি বৃদ্ধি পায়। ২০১৩ সালে পোশাকশ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৫ হাজার ৩০০ টাকা করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন