প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে মোবাইল ফোন চুরির সন্দেহের জেরে, এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তার ফুফাতো ভাই। ঘটনার পর, পালানোর সময় স্থানীয়রা অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
এটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর ২টার দিকে, উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের সাঁতারপুর গ্রামে।
নিহত কিশোর অপু (১৪) সাঁতারপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত কিশোর সীমান্ত মিয়া (১৫) একই গ্রামের মাহবুব আলমের ছেলে এবং অপুর ফুফাতো ভাই।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার সীমান্তের একটি মোবাইল ফোন হারিয়ে যায়। সেই ফোনের জন্য তার সন্দেহ ছিল কিশোর অপু চুরি করেছে। এজন্য এলাকায় একটি সালিস বৈঠকও বসানো হয়। তবে সালিসে অপুর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া না গেলে, তাকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সীমান্ত সালিসের ওই রায় মেনে নেয়নি এবং অপুর বিরুদ্ধে সন্দেহ ধরেই রেখেছিল।
মঙ্গলবার দুপুরে, সাঁতারপুর গ্রামের একটি সেতুর কাছে অপুকে ডেকে নেয় সীমান্ত। সেখানে মোবাইল চুরির অভিযোগ নিয়ে দুই কিশোরের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে, সীমান্ত তার সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে অপুর পেটে আঘাত করে। ফলে গুরুতর আহত অপু ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়ে।
পরে স্থানীয় লোকজন সীমান্তকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে। গুরুতর আহত অবস্থায় অপুকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে করিমগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুবীর কুমার সাহা জানান, ‘মূলত মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। অভিযুক্ত কিশোর সীমান্তকে আটক করে থানায় নেয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন