প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সের কাছাকাছি আসলেও, তিনি মাঠে যেভাবে দারুণ ছন্দে খেলছেন, তার পেছনে রয়েছে কঠোর শৃঙ্খলা, নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত অনুশীলন। অস্ট্রেলিয়ান লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন ম্যান অব মেনি-এ প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে মেসির ফিটনেস ধরে রাখার কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে এসেছে।
১. প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর খাবারের ওপর জোর দেয়া: মেসির খাদ্যতালিকা সাজানো থাকে প্রাকৃতিক ও সহজপাচ্য খাবারের দ্বারা। প্রতিদিন তিনি যথেষ্ট পরিমাণে শাকসবজি, ফল, ডাল, বাদাম এবং অলিভ অয়েল খাওয়ার চেষ্টা করেন। উপরন্তু, মানসম্পন্ন প্রোটিনের উৎস হিসেবে তিনি খাদ্যতালিকায় মাছ ও মুরগির মাংস অন্তর্ভুক্ত করেন।
২. চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে দূরে থাকা: ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের খাদ্যাভ্যাসে সঠিক পরিবর্তন এনে, মেসি সফট ড্রিংকস, অতিরিক্ত চিনি, ফাস্টফুড এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার ব্যবহারে বিরতি দেন। ফলে, তার ফিটনেস ও মাঠে পারফরম্যান্সে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।
৩. পর্যাপ্ত পানি পান: শরীরকে হাইড্রেট রাখতে মেসি নিয়মিত পানি পান করেন। কঠোর অনুশীলন ও ম্যাচগুলির সময় শরীরের তরলের ভারসাম্য বজায় রাখা, তার ফিটনেস রুটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৪. নিয়মিত কার্ডিও ও শক্তি বাড়ানোর অনুশীলন: মেসির প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত থাকে দৌড়, স্প্রিন্ট, অ্যাজিলিটি ড্রিল, কোর এক্সারসাইজ এবং শক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম। এগুলো তার গতি, ভারসাম্য ও বিস্ফোরণশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৫. বলের সঙ্গে নিয়মিত অনুশীলন: জিমে অনুশীলনের পাশাপাশি, মেসি প্রতিদিন বল নিয়ে অনুশীলন করেন। ছোট স্থানে বল নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত দিক পরিবর্তন, ড্রিবলিং এবং ফিনিশিংয়ের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।
৬. পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম: কঠোর অনুশীলন করার পাশাপাশি, তিনি পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রামকেও সমান গুরুত্ব দেন। শরীরের পুনরুদ্ধার (রিকভারি) এবং চোটের ঝুঁকি কমাতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন