প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে, চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রতি বলিউড সুপারস্টার সালমান খান সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ‘অত্যন্ত গুরুতর’ আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তিনি এক দীর্ঘ পোস্টে বলেছেন, আহত শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের প্রতি তাঁর সমবেদনা রয়েছে।
তিনি আরো জানান, দেশের তরুণদের উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে একত্রিত হওয়া একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা উচিত।
সালমান খান লিখেছেন, ‘এটি ছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, শেষ পর্যন্ত এটি সহিংস রূপ নিয়েছে।
যেসব শিক্ষার্থী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা আহত হয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। প্রশ্নপত্র ফাঁস অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। আমাদের দেশের তরুণেরা উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে একজোট হয়েছে এবং তাঁদের অভিভাবকেরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন, এটি দেখে আমি আনন্দিত।’
তিনি আরো বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ গড়ার যে প্রত্যয় শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে।
তিনি বলেন, ‘আন্দোলন বা প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ। শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবেই তাদের দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষা নিয়ে উৎসাহী এই প্রজন্ম একদিন ভারতের মুখ উজ্জ্বল করবে।’
অবশেষে, আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যাখ্যা না করার আহ্বান জানিয়ে সালমান খান লেখেন, ‘এটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থার বিষয়। একে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়।
এই কৃতিত্ব দেশটির শিক্ষার্থীদেরই প্রাপ্য। আমার বিশ্বাস, সরকারও তাঁদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। যারা শিক্ষিত হতে চায়, ঈশ্বর তাদের সবার মঙ্গল করুন।’
সম্প্রতি, বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়ম এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দিল্লিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের এক পর্যায়ে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের ফলে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। যদিও এ ঘটনার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন