প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিষাক্ত গন্ধযুক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনের বিষয়ে অভিযোগ তুলে স্থানীয় নানা সংগঠন পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ২২ জুন সকাল ৭টা এবং ২৩ জুন সন্ধ্যা ৭টার সময় মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের চিমনি থেকে ঘন কালো, দুর্গন্ধযুক্ত ধোঁয়া বের হয়ে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছিল। বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হওয়ার পর এরকম ভয়াবহ ধোঁয়া নির্গমনের ঘটনা স্থানীয়দের কাছে নজিরবিহীন বলে বক্তারা দাবি করেছেন।
বক্তাদের মতে, বিষয়টিকে একটি কারিগরি ত্রুটি হিসেবে দেখা উচিত নয়। কারণ, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়তে পারে। তারা উল্লেখ করেন, কয়লার ধোঁয়ায় বায়ুদূষণ, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের বিভিন্ন রোগ, হৃদরোগসহ স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।
তারা আরও জানান, কয়লা পোড়ানো থেকে নির্গত সালফার ডাই-অক্সাইড, ভারী ধাতু এবং অন্যান্য দূষিত উপাদান পরিবেশ, কৃষিজমি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, বিষয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা যথাযথ জবাবদিহিতা করেননি। বক্তারা ধোঁয়া নির্গমনের কারণ খুঁজে বের করার জন্য স্বাধীন তদন্ত, পরিবেশগত প্রভাবের যাচাই, স্বাধীন বায়ুমান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র, বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা বন্ধের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মহেশখালী জনসুরক্ষা মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন, উপকূল সুরক্ষা ফাউন্ডেশন মহেশখালীর সভাপতি ও জেননেট বিডির সদস্য আবু বক্কর ছিদ্দিক, উপকূল সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের যুগ্ন সম্পাদক মোস্তফা বেগম বক্তব্য রাখেন। তবে আলোচনার সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন