প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) মানহীন ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগে চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এসব খাদ্যপণ্য নির্ধারিত মানে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছে। মামলাগুলি আমলে নিয়ে আদালত সংশ্লিষ্ট আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) ডিএসসিসির পক্ষ থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত ২ জুলাই জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগারের পরীক্ষায় কয়েকটি খাদ্যপণ্য মানে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়। এরপর নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৬, ২৭, ৩৯ ও ৪১ ধারায় ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত-২–এ চারটি মামলা করা হয়।
আজ ঢাকা স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদুল হক মামলাগুলো আমলে নিয়ে প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
এমতাবস্থায় মামলা তালিকাভুক্ত খাদ্যপণ্যের মধ্যে বিদেশি প্রতিষ্ঠান ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের উৎপাদিত ‘ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ ও ‘ইস্ট কেক পুর পিঠা (ইনট্যাক্ট)’ রয়েছে। পাশাপাশি আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের ‘আর বোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং রাজধানীর বনশ্রীর ‘কাচ্চি সুলতান’ রেস্তোরাঁর বাজারজাতকৃত ‘বোরহানী’ও অন্তর্ভুক্ত।
ডিএসসিসির জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট খাদ্যপণ্যে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়েছে। এ কারণে অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ মানবদেহের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হতে পারে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ডিএসসিসি জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি, খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষাগারে মান যাচাই এবং আইন লঙ্ঘনকারিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন