প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সংসদে তুলে ধরলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। তিনি বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা সরকারের কার্যকর উদ্যোগের অংশ।
মন্ত্রী জানান, ভোজ্য তেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ, আটা ও চালসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানি সহজীকরণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুল্ক ও করহার যৌক্তিকীকরণ এবং বিকল্প উৎস থেকে আমদানির সুযোগ খুঁজে বের করার কাজও করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২২তম দিনে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জাতীয় সংসদে বলেন, দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার পাশাপাশি ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, মজুদ, সরবরাহ এবং মূল্য পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ভোজ্য তেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ, আটা, চালসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য জায়গাটা ভালোভাবে দেখভাল করার জন্য আমদানি সহজীকরণ এবং শুল্ক ও কর হার যৌক্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাজারে কৃত্রিম সংকট, মজুদদারি, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি এবং অসাধু ব্যবসায়িক কার্যক্রম প্রতিরোধের জন্য জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিয়মিত বাজার তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
নিম্ন ও নিম্ন-মধ্য আয়ের জনগণের জন্য টিসিবির মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখতে এবং সরবরাহ শৃঙ্খল কার্যকর রাখতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যেন সাধারণ ভোক্তাদের ওপর মূল্যবৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব কমে যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন