প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল আগুনের ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যুর মামলায় রাফি উজ-জাহেদ (৩৪), যিনি রেস্টুরেন্টের মালিক, আত্মসমর্পণের আবেদন করেও পরে তা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
রবিবার (১৪ জুন) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতেও তিনি আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন চান।
তার পক্ষে অ্যাডভোকেট এবিএম ইব্রাহিম খলিল জামিন শুনানিতে অংশ নেন।
রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করাহন। শুনানি শেষে আদালত আদেশের অপেক্ষমাণ রাখে। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবার আত্মসমর্পণের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।
প্রসিকিউটর শামছুদ্দোহা সুমন বলেন, ‘আত্মসমর্পণের পর আসামিপক্ষ থেকে জামিন আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হয়। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আদেশ অপেক্ষমাণ রাখে। পরে সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে আমার কাছে জানান হয়, জামিন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমি আমার পরিচিত সাংবাদিকদের সেটি জানিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু পরে আবার আমাকে বলা হলো, আসামিপক্ষ আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এটা কিভাবে সম্ভব?’
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মে রাফি আবার আত্মসমর্পণের আবেদন করেও তা প্রত্যাহার করে নেন। এর আগে ২০ এবং ২১ মে একই মামলায় তিনি প্রথমে আত্মসমর্পণের আবেদন করে পরে তা প্রত্যাহার করেন।
অন্যদিকে একই মামলায় গত ১৭ মে আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী রমজানুল হক নিহাদ এবং হাক্কা ঢাকা রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী আদিব আলম আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন আবেদন করেন। নিহাদ আত্মসমর্পণের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। তবে জামিন পান আদিব আলম।
গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগার ঘটনায় ১৯ এপ্রিল ভবনটিতে থাকা বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিকসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করা হয়। ওই দিন পলাতক ১৩ আসামিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করা হয়। এর আগে ২ এপ্রিল মামলার তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র জমা দেন সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর শাহজালাল মুন্সী।
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১০টার দিকে গ্রিন কোজি কটেজ সাততলা ভবনে আগুনে ৪৬ জন প্রাণ হারান। তাদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী এবং ৮ জন শিশু ছিল। জীবিত উদ্ধার করা হয় ৭৫ জনকে।
ওই ঘটনায় রমনা মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম মামলা করেন। পরে মামলার তদন্তভার পায় সিআইডি পুলিশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন