প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু মহানগরীর সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের কাছে অবস্থিত ময়ূর নদীর ওপর বিদ্যমান ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের ব্রিজটি পরিদর্শন করেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের ব্রিজটির বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কারণে তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে ওই ব্রিজটি পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক মনজু ব্রিজটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং তিনি মন্তব্য করেন যে, জনসাধারণের চলাচলের ভোগান্তি দূর করার জন্য বর্ণিত স্থানে একটি নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি।
এছাড়া, উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ময়ূর নদীতে একাধিক ব্রিজ নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে অনুরোধ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সংস্থাটি দুটি ব্রিজের নকশা প্রস্তুত করেছে, কিন্তু সেই নকশার মধ্যে এই ব্রিজটির স্থান নেই। তিনি জানান, এই ব্রিজটির নির্মাণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। যদি এলজিইডি অপারগতা প্রকাশ করে, তবে সিটি কর্পোরেশন নিজ থেকেই উদ্যোগী হবে।
এছাড়া, ময়ূর নদীর মধ্যে বিদ্যমান কচুরিপানা দ্রুত পরিচ্ছন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
এ সময় কেসিসির প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, ১৮নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান মনি, কাজী শফিকুল ইসলাম শফি, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, হুমায়ুন কবীরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু গল্লামারী ব্রিজ সড়কের সম্প্রসারণ কাজ এবং বাব এ সালাম আবাসিক এলাকার বিভিন্ন সড়ক, ছবেদ আলী লেন, সোনাডাঙ্গা বাস স্ট্যান্ড, মাহতাব উদ্দিন সড়ক, খালিশপুরস্থ বাস্তুহারা কলোনীর ড্রেনেজ, বর্জ্য ও পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা এবং পোর্ট কলোনীর অভ্যন্তরে স্লুইচগেট নির্মাণ কাজও পরিদর্শন করেন। এ সময়ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন