প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের কনস্টেবল মো. ওসমান গনির চাকরি সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে, কারণ ডোপ টেস্টে তার মাদক গ্রহণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পুলিশ প্রশাসন ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তার রক্তের ডোপ টেস্ট করা হয় এবং রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর আগে, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে মাদকাসক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠার পর এই পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়া কনস্টেবল মো. ওসমান গনি ঢাকা জেলার ধামরাই থানার সাহাবেলীশ্বর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থানায় পুলিশের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. নূর মো. শামসুল আলম জানান, ওই পুলিশ সদস্যের রক্তের নমুনা নিয়ে ডোপ টেস্ট করা হয় এবং পরীক্ষায় তার মাদক গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক রিপোর্ট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। বাহিনীর ভেতরে বা বাইরে কারও সঙ্গেই মাদকের ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতা বরদাশত করা হবে না।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘মাদকবিরোধী এই নীতি সব পুলিশ সদস্যের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য। বাহিনীর স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যাদের বিরুদ্ধেই সন্দেহ হচ্ছে, তাদের ডোপ টেস্ট করানো হচ্ছে। কনস্টেবল ওসমান গনির মাদক গ্রহণের প্রমাণ পাওয়ায় প্রাথমিকভাবে তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন