প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পঞ্চগড়ে আদালতে হাজিরা দিতে এসে এক আসামির মৃত্যু ঘটেছে। আদালতের বারান্দার একটি বেঞ্চ থেকে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দ্বিতীয় তলার বারান্দার একটি বেঞ্চে ওই আসামিকে মৃত অবস্থায় লক্ষ্য করেন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
নিহত ময়নুল হক (৫৯) পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বারো আউলিয়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি জমি সংক্রান্ত মামলার প্রধান আসামি ছিলেন।
নিহতের মামলার আইনজীবীর সহকারী আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ময়নুল জমি সংক্রান্ত একটি মামলা সংক্রান্ত হাজিরা দিতে এসেছিলেন। কিন্তু আদালত সেদিন বিচারপতি পরিদর্শনে আসায় বসেনি। এজলাসের ভেতরে কিছু সময় বসে থাকার পর তিনি একবার বমি করেন। পরে বাইরে এসে বারান্দার বেঞ্চে বসে ছিলেন। তিনি অসুস্থতার কিছুই জানাননি এবং স্বাভাবিকভাবে মাথায় হাত দিয়ে শুয়ে ছিলেন। দীর্ঘ সময় তার কোনো প্রতিক্রিয়া না পেয়ে তাকে কাছে গিয়ে দেখা যায় যে তিনি মারা গেছেন। পরে বিষয়টি পুলিশ ও তার পরিবারকে জানানো হয়েছে।
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা দীপেন্দ্রনাথ সিংহ জানান, দুপুরের খাবারের বিরতিতে যাওয়ার সময় তারা ওই ব্যক্তিকে ডাকতে চেষ্টা করেন। পরে উপস্থিত সাধারণ লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পায় যে তিনি মারা গেছেন।
ময়নুল হকের ভাতিজা ফয়সাল কবির বলেছেন, ‘আমার চাচার তেমন কোনো অসুখ ছিল না। মামলার তারিখ থাকায় তিনি নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে আদালতে যান। বেশ কয়েকটি মামলা চলমান ছিল। হঠাৎ আমরা খবর পাই তিনি মারা গেছেন।’
এ বিষয়ে কোর্ট ইন্সপেক্টর খান মো. শাহরিয়ার জানান, ওই ব্যক্তি বেঞ্চে শুয়ে ছিলেন। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে অনেকের দাবি, তিনি আদালতেই মারা গেছেন।
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুমন কুমার বণিক বলেন, ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু ঘটে। তবে ঠিক কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হলে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন