প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যে গত বছর পুলিশের হাতে হাতকড়া পরানো অবস্থায় এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হলেও অভিযুক্ত হামলাকারী ঘটনাস্থলের কাছে দাঁড়িয়ে ছিল। এর ফলে পুলিশি কার্যক্রম, বর্ণবাদ এবং সহিংসতা নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১৮ বছর বয়সি হেনরি নোভাক নিহত হওয়ার ঘটনা আবারও আলোচনায় আসে সোমবার (১ জুন) যখন তার হত্যাকারীকে ন্যূনতম ২১ বছরের কারাদণ্ডসহ যাবজ্জীবন সাজা দেয়ার পর বিষয়টি আবার গুরুত্ব পায়। প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ভুক্তভোগী কিশোর বারবার জানিয়েছিলেন যে সে ছুরিকাহত হয়েছে, কিন্তু পুলিশ তার কথায় গুরুত্ব দেয়নি।
এছাড়া, জানা যায়, হাতকড়া পরানোর সময় নোভাক বারবার বলছিল যে সে শ্বাস নিতে পারছে না।
Partiu sem palavras de conforto ou de segurança. "Estás detido por agressão". Foram, literalmente, as últimas palavras que Henry ouviu... Chocante. pic.twitter.com/zhNgEfGftM
— Acordar Portugal (@Arquimedes1143) June 2, 2026
পুলিশের মতে, হত্যাকারী বিক্রম দিগওয়া (২৩) একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিখ ধর্মাবলম্বী, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে তিনি নোভাকের বর্ণবাদী হামলার শিকার হয়েছেন। নোভাক ছিলেন শ্বেতাঙ্গ।
দক্ষিণ ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনের একটি আবাসিক এলাকায় পুলিশ কর্মকর্তারা প্রথমে দিগওয়ার বক্তব্য মেনে নিয়েছিলেন। তবে আদালত পরে রায় দেয় যে দিগওয়া বর্ণবাদী হামলার শিকার হওয়ার বিষয়ে মিথ্যা বলেছিলেন।
এদিকে, প্রকাশিত ভিডিওটি দেখে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, যিনি বলেছেন, ‘এই ঘটনায় বর্ণবাদের অভিযোগ কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলেছিল, সে বিষয়ে গুরুতর প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন।’
মঙ্গলবার রাতে সাউদাম্পটনের একটি পুলিশ স্টেশনের সামনে শত শত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ ‘আই ক্যান্ট ব্রিদ’ (আমি শ্বাস নিতে পারছি না) স্লোগান দেন।
পরে, একটি বড় দল নোভাক নিহত হওয়ার স্থানের কাছাকাছি এলাকায় মিছিল করে এবং দাঙ্গা পুলিশদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা চেয়ার, পাথর ও ফ্লেয়ার নিক্ষেপ করলে পুলিশ পিছু হটে।
সূত্র: এনবিসি নিউজ, এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন