প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার ধামরাইয়ের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে একটি নষ্ট যাত্রীবাহী বাস দেখে থামতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে অন্তত চারটি পরিবহন একের পর এক। এ সময় দুর্ঘটনাকবলিত তৃতীয় পরিবহন মোটরসাইকেলে পেছনের অপর যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুইজন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন। এ ঘটনার ফলে আরও একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে মহাসড়কের ইসলামপুর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, সকালে ইসলামপুর এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মূল লেনে একটি বাস নষ্ট হয়ে রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল। বাসটির পেছনে থাকা একটি প্রাইভেটকার সেটি দেখে হঠাৎ ব্রেক করলে তার পেছনের একটি কাভার্ডভ্যানও ব্রেক করে। কাভার্ডভ্যানটির পেছনে ছিল দুটি মোটরসাইকেল। তখন স্বাধীনতা পরিবহনের একটি মিনিবাস দ্রুত গতিতে এসে মোটরসাইকেলদুটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহীরা সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু ঘটে।
নিহতদের কাছে থাকা পরিচয়পত্র থেকে জানা গেছে, এর মধ্যে একজন হলেন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী আবাস সাহা। তিনি সাভারের আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকার জগন্নাথ সাহার ছেলে। অপর নিহত হলেন সুজয় সাহা, যিনি মানিকগঞ্জের শিবালয় থানা এলাকার আশুতোষ সাহার ছেলে। তিনি উচ্চমাধ্যমিকের (এইচএসসি) পরীক্ষার্থী ছিলেন। তারা দুজনেই একই পরিবারের ফুপাতো ও মামাতো ভাই।
সাভার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহাদাত হোসেন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ধামরাই থানার এসআই তারেক জানিয়েছেন, আমরা সকাল ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পাই যে ইসলামপুরে মহাসড়কের মূল লেনে একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে গিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে ঘটনার বর্ণনা জানার চেষ্টা করি। তবে আমরা এখনো হাসপাতালে যেতে পারিনি। বর্তমানে ঘটনাস্থলে কাভার্ডভ্যান, বাস এবং মোটরসাইকেল রয়েছে। এই বিষয়টি হাইওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে। যেহেতু এটি হাইওয়ে পুলিশের অধিক্ষেত্র, তাই তারা এসে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তিনি আরও বলেন, সবগুলো গাড়ি ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। তবে মূল কারণ হচ্ছে, নষ্ট হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটি। বাসটি দাঁড়িয়ে থাকায় পেছনের প্রাইভেটকারটি শেষ মুহূর্তে সেটিকে দেখতে পেয়ে হঠাৎ ব্রেক করে। পেছনের গাড়িগুলোও একইভাবে হঠাৎ ব্রেক করতে বাধ্য হয়। এভাবেই দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে আমরা জানতে পেরেছি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন