প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্থানীয় সময় বুধবার লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫, আর দ্বিতীয়টির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২।
এটি দেশের ইতিহাসে ১২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
এই ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৬৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের জন্য রাতের অন্ধকারে অভিযান চালিয়েছেন।
ভূমিকম্পের সময় রবার্তো গামাস নামের এক বাসিন্দা তার ভবন থেকে প্রাণে বেঁচে বেরিয়ে আসার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তিনি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে বলেছেন, “ভবনটি এক পাশ থেকে আরেক পাশে দুলছিল। দৃশ্যটি ছিল অবিশ্বাস্য।”
তিনি আরও বলেন, “সৌভাগ্যক্রমে ভবনটিতে তখন খুব বেশি মানুষ ছিল না। কিন্তু ভাবুন তো, যদি অনেক মানুষ থাকতো, তাহলে সবাই বের হওয়ার চেষ্টা করলে কী ধরনের আতঙ্ক তৈরি হতো!”
ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকারীরা ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে ঝুঁকি নিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন। অন্ধকারের মধ্যে তারা ভেঙে পড়া স্থাপনার ওপর উঠে জীবিতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন এবং ধ্বংসাবশেষের নিচে আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধারে আরও কাজ করেন।
বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, ৭ দশমিক ৫ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি ১৯০০ সালের পর ভেনেজুয়েলায় সবচেয়ে শক্তিশালী। এর আগে, ১৯০০ সালের ২৯ অক্টোবর উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল।
ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত ভেনেজুয়েলায় এমন শক্তিশালী কম্পন দেশটির অবকাঠামো ও জননিরাপত্তা নিয়ে নতুনভাবে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ধরনের ভূমিকম্পের পর সাধারণত আরও আফটারশক বা পরাঘাতের আশঙ্কা থাকে, তাই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সতর্কতা অব্যাহত রাখা গুরুত্বপূর্ণ। সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন