প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার বিধির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি সেগুলো বাজেয়াপ্ত করার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেনাদের পোস্ট করা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ইরান তাদের হামলার গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন করছে, এই গুরুতর উদ্বেগের পরই পদক্ষেপটি গৃহীত হচ্ছে।
সম্প্রতি রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সেনা সদস্যদের এই বিষয়ে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সাধারণ ভাবে সেনাসদস্যদের অনলাইনে শেয়ার করা বিভিন্ন পোস্ট ইরানকে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রভাব সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে সহায়তা করছে। ইলেকট্রনিক জ্যামিং ও সামরিক কৌশলের কারণে ইরান সাধারণত নির্দিষ্টভাবে বুঝতে পারে না যে তাদের দেয়া অস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে কিনা, নাকি ১০০ মিটার দূরে পড়েছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও এবং সেনাদের দেওয়া বিবরণ থেকে ইরান সহজেই হামলার মূল্যায়নের সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে কোনরকম খরচ ছাড়াই।
এ বিষয়ে একটি স্পষ্ট উদাহরণ হিসেবে গত ১৭ জুলাই জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে ইরানি হামলার ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। ওই দিন এক মার্কিন সেনাসদস্য মেটা স্মার্ট গ্লাসের মাধ্যমে সতীর্থদের বাংকারে পাঠানো মুহূর্তটি রেকর্ড করে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন। অ্যাডমিরাল কুপার সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের ভিডিও দেখে শত্রু পক্ষ খুব সহজেই তাদের দ্বিতীয় দফার হামলার লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তন করে এবং আরও বড় বিধ্বংসী আঘাত হানতে পারে।
জর্ডানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে কর্মরত সেনাসদস্যদের ইতোমধ্যে যেকোনো মুহূর্তে ফোন জমা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদিও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে একে নিরাপত্তা বজায় রাখার সাধারণ তাগিদ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে, তবে রয়টার্স নিশ্চিত করেছে যে বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ে নীতি আলোচনা চলছে। কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে, তা ওই অঞ্চলে মোতায়েন হাজার হাজার মার্কিন সেনার পরিবারের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুতর প্রভাব ফেলবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন