প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মস্কো ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলার ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। হামলাগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের তৈরি ড্রোন ব্যবহৃত হওয়ায় দেশটি যুক্তরাজ্যকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
সোমবার লন্ডনে অবস্থিত রুশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউক্রেনকে ড্রোন সরবরাহের জন্য যুক্তরাজ্যকে এর ‘পরিণতি’ ভোগ করতে হবে এবং চরম মূল্য চোকাতে হবে।
দূতাবাসের টেলিগ্রাম বার্তায় জানানো হয়েছে, যুক্তরাজ্য ইচ্ছাকৃতভাবে ইউক্রেন সংকটকে আরও উসকে দিচ্ছে। তারা যদিও শান্তির কথা বলছে, কিন্তু আসলে ‘সন্ত্রাসী হামলার’ সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। সাবেক রুশ উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই ফেদোরভ বিবিসিকে জানিয়েছেন, এই ‘পরিণতি’র মানে হল যুক্তরাজ্যে হামলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
সম্প্রতি ইউক্রেন রাশিয়ার গভীরে তেল শোধনাগার এবং লজিস্টিক কেন্দ্রগুলোতে ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মস্কোর মেয়র বলেছেন, ইউক্রেন অন্তত ৬৩৭টি ড্রোন ছুড়েছে, যার মধ্যে ১৯৭টি ধ্বংস করা হয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে। যুক্তরাজ্যের দ্য টাইমস পত্রিকার তদন্তে জানা গেছে, এসব হামলায় ব্রিটিশ কোম্পানির তৈরি ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।
যদিও ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করেনি, তবে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা ইউক্রেনকে ১০০ ভাগ সমর্থন দিতে অবিচল থাকবে। গত এপ্রিলেও যুক্তরাজ্য ইউক্রেনের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার ড্রোনের একটি বড় প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল।
রুশ সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, রাশিয়া যুক্তরাজ্যে হামলা করলেও ন্যাটো কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেবে না। ফেদোরভ বলেন, অনেকেই মনে করছেন ন্যাটো হয়তো শুধু বিবৃতি দিয়ে চুপ থাকবে। ট্রাম্পও ন্যাটোকে বড় কোনো জবাব দিতে দেবেন না। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন