প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি বছরে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রথম মেয়াদে তৈরি হওয়া সম্পর্ক পুনরায় সক্রিয় করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, কিমের সঙ্গে ‘ভালো সম্পর্ক রাখা’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেছেন, বর্তমানে উত্তর কোরিয়ার হাতে ৫৭টি ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে।
ট্রাম্প উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫৭টি শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র থাকা একটি পরিস্থিতি, যা কখনোই ঘটে যেতে দেওয়া উচিত ছিল না। তিনি আরও জানান, তিনি এক্ষেত্রে থাকলে এই পরিস্থিতি তৈরি হতে দিতেন না।
কিন্তু শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও কিমের সঙ্গে আলোচনায় বসার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, কিমের সঙ্গে তার একটি খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। পাশাপাশি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ না দেওয়ার ব্যাপারেও মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্প কিমের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত কোন নির্দিষ্ট সময়সূচি দেননি। তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, নভেম্বরে চীনের শেনঝেনে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলনের সময় কিমের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্পের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন গিউ-ব্যাক উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা সম্পর্কে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন। তিনি দেশটির আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, পিয়ংইয়ংয়ের কাছে আনুমানিক ৮০ থেকে ১২০টি পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে।
আন বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া সাধারণত এই সংখ্যা ৮০ থেকে ১২০টির মধ্যে বলে ধারণা করে। তবে তিনি উত্তর কোরিয়ার অস্ত্রভাণ্ডারের সঠিক সংখ্যা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।
দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিরোধিতা করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ওয়াশিংটন উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্য থেকে সরে গেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আন বলেন, তিনি তা মনে করেন না।
এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং ট্রাম্পের উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। সূত্র : এএফপি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন