প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়ার তাতারস্তান অঞ্চলের নিঝনেকামস্ক শহরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় শিশুসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ায় বেসামরিক হতাহতের দিক থেকে এটি অন্যতম বড় হামলা। সোমবার রুশ কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর দাবি অনুসারে, মস্কো থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত তাতারস্তানে তাতনেফটের তানেকো তেল শোধনাগারকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। হামলার পর শোধনাগারটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে স্থাপনাটির ওপর থেকে ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।
এদিকে, রুশ তদন্তকারীরা হামলাটিকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে একটি ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছেন। তাদের অভিযোগ হলো ইউক্রেনীয় বাহিনী আবাসিক এলাকার ওপরও হামলা চালিয়েছে। নিহতদের ঘটনায় তাতারস্তানের প্রধান রুস্তম মিন্নিখানভ শোক জানিয়েছেন বলে নিঝনেকামস্কের মেয়র টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জানান।
তানেকো তেল শোধনাগারটি এর আগেও ইউক্রেনের হামলার শিকার হয়েছে। গত জুনের শুরুতে একই স্থাপনায় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। ইউক্রেন কয়েক মাস ধরে রাশিয়ার জ্বালানি খাতের ওপর চাপ বাড়ানোর জন্য দেশের বিভিন্ন তেল শোধনাগার ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে আসছে। এসব হামলাগুলোর কারণে রাশিয়ার কিছু অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানির পথও বেছে নিয়েছে মস্কো।
এর আগে রোববারও রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। খারকিভে রুশ হামলায় তিনজন এবং রাশিয়ার বেলগোরোড অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় পাঁচজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
দুুই দেশই বরাবর বেসামরিক মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে হামলার লক্ষ্য বানানোর অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন