প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ঘটনার অভিযোগ উঠেছে যে এক সন্তানের জননী (১৭) কে ঘরের ভেতর স্বামীর হাত-পা-মুখ বেঁধে মারধর করে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার পাগলা থানাধীন নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামে এ অবস্থা তৈরি হয়। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় স্বজনরা গৃহবধূকে উদ্ধার করে।
স্থানীয় ও গৃহবধূর পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওই গৃহবধূ উপজেলায় মায়ের বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি একটি কক্ষে তার মায়ের সাথে এবং অন্য একটি কক্ষে স্বামী ও তিন বছরের ছেলেকে নিয়ে অবস্থান করতেন।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ৭-৮ জনের মুখ বাঁধা একটি সংঘবদ্ধ দল ঘরে প্রবেশ করে। তারা গৃহবধূর স্বামীর হাত-পা-মুখ বেঁধে মারধর করে। এ সময় স্বামীকে বাঁচাতে বাঁধা দেয়ার কারণে দুর্বৃত্তরা গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়।
তারা গৃহবধূকে বাড়ি থেকে প্রায় দেড়শ মিটার দূরে নিয়ে গণধর্ষণ করে। পরে স্বজনরা গৃহবধূকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। এ ঘটনায় বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে গৃহবধূর মা পাগলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
গৃহবধূর মা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘আমি অসহায় মা। আমার স্বামী আছিন প্রতিবন্ধী। মইরা গেছে। মায়াডারে লইয়া থাকতাম। যাদের আমার মায়াডার সর্বনাশ করছে তাগর কঠিন বিচার চাই।’
পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার শিকার গৃহবধূকে পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন