প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নওগাঁর সাপাহার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিএসএফ ১৭জন নারী ও পুরুষকে পুশইন করেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সাপাহার উপজেলার কলমুডাঙ্গা সীমান্তের কাছাকাছি ২৩৭নং মেইন পিলার এলাকায় চকচকির বিলের মাধ্যমে তাদের পুশইন করা হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় তারা শূন্য রেখায় অবস্থান করছেন এবং উভয় সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ মোতায়েন রয়েছে।
শুক্রবার রাতে উভয় দেশের বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে একটি পতাকা বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে তারা বলে দেন, বিএসএফ সদস্যরা ওই নারী-পুরুষদের বাংলাদেশে পুশইন করেনি। অন্যদিকে বিজিবি বলছে, তারা অবৈধভাবে বাংলাদেশে কাউকে অনুপ্রবেশ করতে দিতে প্রস্তুত নয়। বলা যায়, বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।
নওগাঁ ১৬ বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা তাদের বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক করে সাপাহার সীমান্তের ওই জায়গায় দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠায়। রাতের মধ্যে তারা বোরো ধান ক্ষেতের মধ্য দিয়ে প্রায় ৭ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে শুক্রবার ভোরে সাপাহারের কলমুডাঙ্গা চৌমহোনী এলাকায় একটি বাজারে বিশ্রাম নেয়। ভোরে স্থানীয় লোকজন তাদের দেখে পুশইনের ঘটনা শুনে কলমুডাঙ্গা বিওপি ক্যাম্পে সংবাদ দেয়। সংবাদ পেয়ে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের পুশব্যাক করার উদ্দেশ্যে ২৩৭ পিলার এলাকায় নিয়ে যায়। বর্তমানে ঘটনাস্থলে বাংলাদেশের পক্ষে বিজিবি এবং ভারতের পক্ষে বিএসএফ সদস্যরা মুখোমুখি অবস্থান করছে এবং জিরোল্যান্ডে পুশইনের শিকার ১০জন নারী ও ৭জন পুরুষ অপেক্ষমাণ রয়েছে।
নওগাঁ ১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, শুক্রবার রাতে দুটি দেশের উচ্চ পর্যায়ের পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বলা হয়েছে, আমরা কাউকে বাংলাদেশে পুশইন করিনি। বিজিবির এই অধিনায়ক জানান, তারা অবৈধভাবে বাংলাদেশে কাউকে অনুপ্রবেশ করতে দেবে না। আমাদের কথা একটাই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন