প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘সিলেট অঞ্চলের মানুষ দেশকে যা দিয়েছে, সেই অনুযায়ী তারা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের প্রতিদান পায়নি। এটা নিয়ে এখন আমাদের সবাইকে আওয়াজ তুলতে হবে। সিলেটের সার্বিক উন্নয়নের জন্য দায়িত্ব নিয়ে এখানকার সব কৃতিজন, রাজনীতিবিদ ও আমলাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
আজ শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘সিলেটের কৃতিজন’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরো বলেন, ‘পুণ্যভূমি সিলেটের যে ১১৩ জন কৃতিজনের জীবনী এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে, তাদের পাশাপাশি আরো অনেক শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও আমলা আছেন, যারা সমাজের জন্য অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তাদের সেই অনন্য কাজ ও অবদান নিয়েও আগামীতে বই লেখা উচিত।’
নতুন প্রজন্মের মাঝে এই গৌরবময় ইতিহাস ছড়িয়ে দেওয়ার তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি অনুরোধ করব, সিলেটের কৃতি ও কৃতিত্ববান মানুষদের নিয়ে লেখা এসব বই যেন প্রতিটি লাইব্রেরিতে রাখা হয়, যাতে আমাদের যুবসমাজ সহজেই এই ইতিহাসের সংস্পর্শে আসতে পারে। তবে কেবল বই পৌঁছে দিলেই হবে না, তরুণদের মাঝে বই পড়ার নিয়মিত চর্চা বাড়াতেও আমাদের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে ‘সিলেটের কৃতিজন’ গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক আলাউদ্দিন আল আজাদ তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ‘এই গ্রন্থ রচনার পেছনে আমাদের একটিই মূল প্রেরণা, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইতিহাসের আয়নার সামনে দাঁড় করানো। যেন তারা নিজেদের শিকড়কে দেখতে পায় এবং উপলব্ধি করতে পারে যে, তাদের পূর্বপুরুষরা কেবল নিজেদের জন্য নয়, বরং দেশ ও জাতির জন্য এক গৌরবময় ও ঈর্ষণীয় উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।’
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ জি কে গউছ, এমপি, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, বাংলাদেশ বিচিত্রার প্রধান উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদসহ সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকবৃন্দ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন