প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোনার সদর উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর রুকন উদ্দিন (৪০) নামে এক মিশুকচালকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সিংহের বাংলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার ‘বুদিয়ার জঙ্গল’ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রুকন উদ্দিন সদর উপজেলার লক্ষ্মীগঞ্জ ইউনিয়নের গিডুরপাড়া গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে। তিনি ব্যাটারিচালিত তিন চাকার মিশুক গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে প্রতিদিনের মতো উপার্জনের উদ্দেশ্যে মিশুক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন রুকন উদ্দিন। এরপর আর বাড়িতে ফেরেননি তিনি। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সিংহের বাংলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার বুদিয়ার জঙ্গলে একটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্বজনেরা। পরে তাঁরা মরদেহটি রুকন উদ্দিনের বলে শনাক্ত করেন।
মরদেহ উদ্ধারের সময় তাঁর মুখমণ্ডল ও দুই পা সাদা রঙের মোটা স্কচটেপ দিয়ে প্যাঁচানো ছিল। এ ছাড়া দুই হাত পেছনে নিয়ে গামছা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁকে। এ ঘটনায় হত্যার সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
খবর পেয়ে নেত্রকোনা সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নেত্রকোনা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও সময় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশের তদন্ত ও পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
রুকন উদ্দিনের এমন অস্বাভাবিক মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে এবং কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন