প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হারিয়ে মরক্কো ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে।
তবে এই হতাশার মধ্যেও আটলাস লায়ন্স ভবিষ্যতের দিকে মনোনিবেশ করেছে। কারণ ২০৩০ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হিসেবে মরক্কো একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ, এবং এই আসরকে কেন্দ্র করে তাদের নতুন পরিকল্পনা শুরু হচ্ছে।
কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে পৌঁছানো মরক্কো এখন তাদের সাফল্যের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারেনি। তবে তারা ৪৮ দলের বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয়বারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। টুর্নামেন্টে নেদারল্যান্ডসকে বিদায় করার পাশাপাশি ব্রাজিলের বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াই করেছে মরক্কোও।
বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র তিন মাস আগে কোচ পরিবর্তন হলেও মোহাম্মদ ওহাবি দায়িত্ব গ্রহণ করে দলকে দারুণভাবে সামলেছেন। উক্ত কোচের অধীনে, যে বয়সভিত্তিক দলে সফল, মরক্কো ২০২৫ সালে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছে।
ফ্রান্সের কাছে হারের পর, ওহাবি বলেন, ‘আমাদের দলের মধ্যে অনেক তরুণ ফুটবলার আছে, যারা উন্নতি করে চলেছে। আমরা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিয়ে ভবিষ্যতের জন্য আরও শক্তিশালী দল গঠনে মনোযোগ দিয়ে যাচ্ছি।’
তবে ২০৩০ বিশ্বকাপের আগে মরক্কোর সামনে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের দুটি আসর রয়েছে। যেখানে সফল হওয়াকে ওহাবি আপাতত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।
তিনি বলেছেন, ‘প্রথমে আমাদের আফ্রিকা কাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হবে এবং শিরোপা জিততে হবে। আমাদের এমন একটি দল গড়ে তুলতে হবে, যারা ভবিষ্যতে মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে পারবে এবং নিয়মিত শিরোপা জয়ী হতে হবে।’
আগামী সেপ্টেম্বরে আফ্রিকা কাপের বাছাইপর্বে গ্যাবন, লেসোথো ও নাইজারের বিপক্ষে মাঠে নামবে মরক্কো। তবে ওহাবির মতে, ২০৩০ বিশ্বকাপে বড় কিছু করতে গেলে আফ্রিকার বাইরের শক্তিশালী দলের বিপক্ষে নিয়মিত খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করাও জরুরি।
তিনি বলেন, ‘আফ্রিকা কাপ আর বিশ্বকাপ আলাদা। বিশ্বকাপে ভিন্ন ধরনের প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হয়। সেই ধরনের দলের বিপক্ষেও নিয়মিত না খেললে বিশ্বকাপে খুব দ্রুত ছিটকে পড়ার ঝুঁকি থাকে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন