প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কলকাতার সরকারি স্কুলগুলোতে দুপুরের খাবার দেওয়ার দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়া হলেও ছাত্র-ছাত্রীদের খাবারে ডিমও দেওয়ার ব্যবস্থা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
পহেলা আগস্ট থেকে কলকাতার সরকারি স্কুলগুলোতে দুপুরের খাবার পরিবেশন করবে ইসকন। সারা দেশে দুপুরের খাবার পরিবেশনের এই ব্যবস্থার নাম ‘মিড-ডে মিল’ হিসেবে পরিচিত।
ইসকন সম্পূর্ণভাবে নিরামিষাশী, ফলে স্কুলের খাবার বিতরণের দায়িত্ব তাদের দেওয়া নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ডিম দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বিরোধী দল এবং অভিভাবকদের অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন যে ছাত্রছাত্রীদের প্রাণীজ প্রোটিন থেকে বঞ্চিত করা হবে, এবং তাদের নিরামিষ খাবার খেতে বাধ্য করা হবে।
দুপুরের খাবারের দায়িত্বে ইসকনকে রেখেও শুভেন্দু অধিকারী বুধবার ঘোষণা করেছেন যে পড়ুয়াদের জন্য ডিম দেওয়ার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেছেন, এসএইচজিকে (সেল্ফ হেল্প গ্রুপ বা স্বনির্ভর গোষ্ঠী) মাধ্যমে আমরা সপ্তাহে একদিন বা দু’দিন সেদ্ধ ডিম আলাদাভাবে বিতরণ করব বাচ্চাদের। ইসকন সাত্ত্বিকতা বজায় রেখে খাবার সরবরাহ করবে। এটা ওড়িশাতে প্রচলিত।
ইসকন ভারতের বহু রাজ্যে মিড ডে মিলের খাবার সরবরাহ করে, এবং আমরা সেটি গ্রহণ করেছি। তিনি বলেছেন, ওড়িশার স্কুলে যেভাবে আলাদা করে পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে ডিম দেওয়া হয়, পশ্চিমবঙ্গও একই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ভারতের স্কুলগুলোতে মিড ডে মিল চালু করার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং পড়ুয়াদের পুষ্টির দিকে নজর রাখা। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া বহু পরিবারের শিশুরা মিড ডে মিলের খাবারের উপর অনেকটাই নির্ভর করে।
ইসকনের পক্ষ থেকে দুধ, রাজমা ইত্যাদি খাবার পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে থাকার কথা বলা হলেও তা পশ্চিমবঙ্গের মূলত: আমিষভোজী পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের কতটা পছন্দ হবে, তা নিয়ে আলোচনা থেমে নেই।
এদিকে, বুধবার এই ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, তিনি বলেছেন, মিড ডে মিল নিয়ে যে বৈষম্য ছিল, তা আমরা দূর করেছি। আগে হাইস্কুলে মাথাপিছু মিড ডে মিলে বরাদ্দ ছিল ১০ টাকা, আর প্রাথমিকে ৬ টাকা ৭৮ পয়সা। আমরা প্রাইমারিতেও ১০ টাকা করে বরাদ্দ করেছি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন