প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্চ কার্নি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটিকে একটি বড় ধরনের যুগান্তকারী পরিবর্তন বা ‘গেমচেঞ্জার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, এই চুক্তি বাস্তবায়নে তার দেশ পূর্ণ সমর্থন দেবে।
চলমান জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে সিএনএন-এর সাংবাদিক কেইটলান কলিন্সকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জানান, দুই দেশের মধ্যে হওয়া এই চুক্তিতে তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই চুক্তি মূলত ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়টি নিশ্চিত করার ভিত্তি স্থাপন করবে। এর পাশাপাশি, এই চুক্তি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওই অঞ্চলের অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং লেবানন সংকটের একটি স্থায়ী সমাধানের পথ তৈরি করবে, যা একটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই চুক্তিটি এখনো জনসমক্ষে প্রকাশ না করলেও, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের কাছাকাছি সময়ে তা প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি ইতোমধ্যেই চুক্তির খসড়াটি দেখেছেন এবং চলতি সপ্তাহের সম্মেলনে অংশ নেওয়া অন্যান্য বিশ্বনেতাদের মতো তিনিও এতে সম্পূর্ণ একমত পোষণ করেছেন। আলোচনা প্রক্রিয়ায় সরাসরি যুক্ত না থাকা কোনো বিশ্বনেতার কাছ থেকে চুক্তিটি নিয়ে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন।
চুক্তির বিস্তারিত সম্পর্কে মার্ক কার্নি জানান, এতে আগামী ৬০ দিনের জন্য একটি যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে এবং বেশ কিছু শর্তসহ সেগুলো পূরণ হলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। চুক্তিটি মেনে চলতে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে দৃশ্যমান কিছু পদক্ষেপ নিতে ইরানের জন্য একটি ‘বড় ধরনের আর্থিক প্রণোদনার’ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ সকল পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখা, মাইন অপসারণে সহায়তা করা এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন