প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহীতে চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং শিরোইল কলোনী বড় জামে মসজিদের সাবেক খাদেম মোঃ মুরাদ কাদেরী।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, তিনি পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন সূরা তেলাওয়াত করে স্থানীয় মানুষের অনুরোধে তেলপড়া ও পানিপড়া দেন। এই জন্য কেউ স্বেচ্ছায় ২০ থেকে ৫০ টাকা দিলে তিনি তা গ্রহণ করে থাকেন। তার অভিযোগ, গত ২১ জুলাই রাত ৮টার সময় স্থানীয় লাইক নামে এক ব্যক্তি নাজমুল, আলফাজসহ কিছু লোককে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে যান। সেখানে গোপনে ভিডিও ধারণ করা হয় এবং সেটি দেখিয়ে তাকে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। দাবির বিরুদ্ধে টাকা না দিলে তাকে ভণ্ড কবিরাজ আখ্যা দিয়ে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ইউটিউবে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
মুরাদ কাদেরী আরও বলেন, পরদিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা এলাকায় এসে গেলে স্থানীয় মানুষ তাদের ধাওয়া দেয়। এরপর ক্ষুব্ধ হয়ে তার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং চন্দ্রিমা থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করা হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন, মিথ্যা জিডির মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা হচ্ছে। এ ছাড়া চাঁদা দাবির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মিথ্যা জিডি প্রত্যাহারের জন্য রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন জায়গায় কয়েক ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে হয়রানি করছেন। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
তবে অভিযুক্ত তানজিমুল ইসলাম লাইক এর মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি মুরাদ কাদেরীর কাছ থেকে কোন টাকা চাইনি। লাইকের ওপর হামলার থানায় অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লাইক বলেন, আমি ৩/৪ জনের সঙ্গে চা পান করছিলাম। হঠাৎ করে আমাকে বাঁশের লাঠি হাতে বেশ কয়েকজন তাড়া করে। আমি দৌড়ে পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পাই। পরে মোঃ মুরাদ কাদেরীকে বিবাদী করে চন্দ্রিমা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন