প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ড’ বন্ধ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে। তারা একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেছে যে, তেল রপ্তানির জন্য ব্যবহৃত এ অঞ্চলের অন্য পথগুলোও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের ফলে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর আইআরজিসি বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘শত্রুর জানা উচিত, তারা এখন ভারত মহাসাগরীয় রুট দিয়ে বিশ্বে তেল ও গ্যাস রপ্তানির পথ বন্ধ করে দিয়েছে—যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য তেল ও গ্যাস রপ্তানি পথও বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য তাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
তবে আইআরজিসি কোন কোন রপ্তানি পথ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই অঞ্চল থেকে তেল ও গ্যাস রপ্তানি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে, অথবা কারও জন্যই থাকবে না।’
অন্য এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘যোদ্ধাদের প্রতিশোধমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং যুক্তরাষ্ট্র তার আগ্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে।’
এর আগে, মার্কিন কর্মকর্তারা হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে ইরানের দাবি নাকচ করেছেন। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, আন্তর্জাতিক নৌপথ উন্মুক্ত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন