প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালী কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচলের জটিলতা কাটাতে ইরান এবং ওমানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে। বিশেষভাবে কারিগরি ও রাজনৈতিক পর্যায়ে দুটো দেশ অনেকটাই অগ্রসর হলেও, এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা অর্জন হয়নি।
নতুন প্রস্তাবিত কারিগরি রূপরেখা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশকারী সকল বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে ইরানের। অন্যদিকে, প্রণালি ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে তেহরানকে অবহিত করে ছাড়পত্র দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে ওমান।
তবে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন, এটি কেবল মাসকাট ও তেহরানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এতে কোনো সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। একই সাথে চলমান এই হরমুজ সংকটের জন্য ওয়াশিংটনকেই দায়ী করেছেন তিনি। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হুঙ্কার সত্ত্বেও, সামরিক এবং কৌশলগত দিক থেকে ইরান হরমুজ প্রণালিটিকেই তাদের প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করছে।
এদিকে, আলোচনা সম্পর্কে অগ্রগতির বিষয়টি স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পররাষ্ট্র দপ্তরে সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনায় স্পষ্ট অগ্রগতি হয়েছে, তবে এখনো চূড়ান্ত রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি খুব শিগগিরই শেষ পর্যন্ত একটি সমঝোতা হবে।
যদিও জলপথটি পুনরায় উন্মুক্ত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তবুও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ একটি সতর্কবার্তা জারি করেছে। তারা জানিয়েছে, বিভিন্ন দিক থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবর্ষণের ঘটনা অব্যাহত থাকায়, এই সমুদ্রপথে নৌযান চলাচলের ঝুঁকি এখনও অত্যন্ত বেশি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন