প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতে এটিএমে কার্ড ঢুকিয়ে টাকা তোলার দৃশ্য সকলের কাছে পরিচিত। কিন্তু সম্প্রতি সেখানে ভিন্ন ধরনের এটিএম দেখা যাচ্ছে। সেখানে টাকার পরিবর্তে বের হচ্ছে রেশন হিসেবে বরাদ্দ চাল ও অন্যান্য খাদ্যশস্য।
ভারতের ওডিশায় ২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা ‘গ্রেইন এটিএম’ বা ‘অন্নপূর্ণি’ চালু হয়েছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) ও ওডিশা সরকার যৌথ উদ্যোগে এই মেশিনটি চালু করেছে, যেখানে রেশন কার্ডের তথ্য ও বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের মাধ্যমে উপভোক্তাদের প্রাপ্য খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়।
মেশিনটি সর্বাধিক ৫০ কেজি খাদ্যশস্য প্রায় পাঁচ মিনিটের মধ্যে বিতরণ করতে পারে। এই কারণে, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে রেশন নেওয়ার বিশাল ঝামেলা অনেকটাই কমে এসেছে।
সম্প্রতি, এই প্রযুক্তিটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে ভারতের ছত্তিশগড়েও। ২০২৬ সালের আগস্টে রায়পুরের বিরগাঁও এলাকায় ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা ‘অন্নপূর্ণি গ্রেইন এটিএম’ স্থাপন করা হয়েছে। রেশন কার্ডের তথ্য দেওয়ার পর আঙুলের ছাপ দিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয় এবং এর পর মেশিন থেকে উপভোক্তার নির্ধারিত পরিমাণ চাল বা অন্যান্য খাদ্যশস্য বের হয়।
এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হলো রেশন বিতরণে দীর্ঘ অপেক্ষা কমানো, ওজনে কারচুপি রোধ করা এবং মানবিক ভুল কমিয়ে নিয়ে আসা। পাশাপাশি, উপভোক্তারা দিনের যেকোনো সময়ে নিজেদের প্রাপ্য রেশন সংগ্রহ করতে পারবেন।
ওডিশায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই ব্যবস্থাটি পরবর্তীতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় প্রসারিত করার পরিকল্পনাও করা হয়েছে।
তবে এটিকে সাধারণ ব্যাংক এটিএম ভাবলে ভুল হবে। এখানে টাকা তোলার কোনো ব্যবস্থা নেই। এটি মূলত সরকারের রেশন ব্যবস্থার আওতায় রেশন কার্ডধারীদের জন্য তৈরি স্বয়ংক্রিয় খাদ্যশস্য বিতরণ মেশিন।
অর্থাৎ, ভারতে এটিএম থেকে টাকা নয়, চাল বের হচ্ছে’ কথাটি সত্য। তবে এটি সাধারণ এটিএম নয়; এটি রেশন কার্ডধারীদের জন্য তৈরি বিশেষ ‘গ্রেইন এটিএম’ বা ‘রেশন এটিএম’।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন