প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘নেশা মুক্ত যুব ফর বিকশিত ভারত সঙ্কল্প অভিযান’ ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেছেন। একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে যুবসমাজকে মাদক মুক্ত এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই দেশব্যাপী কর্মসূচির সূচনা নরেন্দ্র মোদি করেছেন, যা দেশের জনজীবন থেকে মাদকের অভিশাপ দূর করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে এর কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে পরিকল্পিত।
মোদি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, কেবল একজন ব্যক্তি বা পরিবার নয়, মাদকাসক্তি পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি ‘বিকশিত ভারত’ বা উন্নত ভারতের লক্ষ্যে পৌঁছাতে দেশের তরুণ প্রজন্মকে সব ধরনের মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকতে হবে।
লক্ষ্য হলো তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের রূপকার বা অ্যাম্বাসেডর হিসেবে গড়ে তোলা। গত বছর কাশীতে একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হওয়া এটি এখন দেশে এক বৃহৎ গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে।
এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশজুড়ে ১০০ সপ্তাহব্যাপী ধারাবাহিক ‘জন অংশীদারিত্ব’ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। এর আওতায় আগামী ১০০ সপ্তাহ ধরে প্রতি রবিবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে খেলাধুলা প্রতিযোগিতা, ম্যারাথন বা ওয়াকথন, ধ্যান বা মেডিটেশন সেশন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সচেতনতামূলক র্যালি, পথনাটক এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে নানা প্রচারণামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধনী দিনে দেশের প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি স্থানে যুবসমাজ ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে মাদকবিরোধী শপথ গ্রহণ করেছেন।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্যসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন আধ্যাত্মিক সংস্থার প্রতিনিধিরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে গণসচেতনতা এবং সম্মিলিত এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে একটি শক্তিশালী ও সুস্থ জাতি গঠনে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।
সূত্র: দ্য হিন্দু।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন