প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব এবং প্রাক-নির্বাচনী ব্যয় অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে চলেছে। ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন (US Midterm Elections 2026) দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচন হতে চলেছে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক গবেষণা ও ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠান।
বিজ্ঞাপন ট্র্যাকিং ফার্ম এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এবারের পুরো নির্বাচন চক্রে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের পেছনে মোট খরচ ১১.৬ বিলিয়ন বা ১,১৬০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাবে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির বাকি সময়কার রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেবে—তার ওপর নির্ভর করেই এই রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ঢালছেন প্রার্থীরা।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে বড় অংকের অনুদানদাতা বা 'মেগা ডোনারদের' প্রভাব ও দৌরাত্ম্য আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান—উভয় শিবিরেই প্রার্থীদের প্রচারণায় হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। ট্রাম্পপন্থী রিপাবলিকান এবং ডেমোক্রেটিক শিবিরের প্রার্থীদের মধ্যে এই বিশাল আর্থিক প্রতিযোগিতা মার্কিন নির্বাচন ব্যবস্থায় অর্থের অবাধ বিস্তার নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা একে এমন এক 'স্বাভাবিক পরীক্ষা' হিসেবে দেখছেন, যেখানে জনস্বার্থ ও নীতির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ এবং প্রচারণা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, সেটাই মূল দেখার বিষয়। সূত্র: ফার্স্টপোস্ট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন