প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর (নিবিড় পরিচর্যা ও শ্বাসপ্রশ্বাসের যন্ত্র) তীব্র সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। পর্যাপ্ত যন্ত্র না থাকায় আইসিইউ বেডগুলো সবসময় পূর্ণ হয়ে থাকে, ফলে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের লাইফ সাপোর্ট পাওয়ার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
সম্প্রতি এই চিকিৎসার অভাবে একজন প্রবীণ সাংবাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে।
‘ডন’ পত্রিকার খবর অনুযায়ী, স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে আবিদ রাজা কাজমি নামের এক সাংবাদিক হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকরা তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়ার পরামর্শ দিলেও হাসপাতালে একটি ভেন্টিলেটরও খালি ছিল না। পরে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই তার মৃত্যু ঘটে।
এছাড়া পাকিস্তানের পিমস হাসপাতালে ৯০টির বেশি ভেন্টিলেটর থাকলেও সেগুলো সবসময় অন্য রোগীদের দখলে থাকে। অনেক রোগীকে টানা ২০ দিন পর্যন্ত লাইফ সাপোর্টে রাখতে হয়। পলিক্লিনিক হাসপাতালে তাদের ৩৫টি ভেন্টিলেটরের সবগুলোই ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে। হাসপাতালটি মাত্র ৫ লাখ মানুষের জন্য তৈরি হলেও বর্তমানে সেখানে সেবা নিতে আসেন প্রায় ৫০ লাখ মানুষ।
নতুন যন্ত্র কেনার জন্য বাজেট এবং তা চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও টেকনিশিয়ানের অভাব বিদ্যমান। বেসরকারি হাসপাতালে দৈনিক খরচ ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত হওয়াতে সাধারণ মানুষের জন্য তা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই সবাই সরকারি হাসপাতালেই লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।
সমস্যা সমাধানের জন্য পিমস হাসপাতালে নতুন ৪০টি ভেন্টিলেটর বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাসপাতাল বড় করার পাশাপাশি দেশেই ভেন্টিলেটর তৈরি করা এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন