প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জামায়াতের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. নাজিবুর রহমান সংসদে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি উচ্চ আদালতে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, ‘আজকে ঋণখেলাপের দায়ে এক ব্যক্তির মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এখন কি বলতে পারব, উনি ঋণখেলাপি ছিলেন।’
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে যখন তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে এ মন্তব্য করেন, তখন সংসদে তর্ক বিতর্ক শুরু হয়। তিনি আরও বলেন, ‘ঋণখেলাপিদের এই সংসদে’ দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে। এমপি রুমিন ফারহানার বক্তব্যের ইঙ্গিত দিয়ে নাজিবুর রহমান বলেন, কয়েকদিন আগে এক সংসদ সদস্য জানতে চেয়েছিল, সংসদে কোনো ঋণখেলাপি আছে কিনা। সে সময় স্পিকার উত্তর দিয়েছিলেন, বিচারাধীন বিষয়ে বলা সম্ভব নয়। কিন্তু আজকে ঋণখেলাপের কারণে একজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে আমি প্রশ্ন করছি, উনি কি সত্যিই ঋণখেলাপি ছিলেন।’
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এটা পয়েন্ট অব অর্ডার নয় বরং নির্বাচনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি বলেন, ‘ইসি আদালতের নির্দেশনায় আদেশ জারি করলে এ ব্যাপারে আমি আপনাদের জানাতে পারব। তাই ইসির চূড়ান্ত রায়ের জন্য আমাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে, তখন চূড়ান্ত মন্তব্য করা যাবে।’
এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম, এ সংসদে কোনো ঋণখেলাপি সদস্য নেই, তবে ঋণগ্রস্ত থাকতে পারেন। জামায়াত এমপি যে প্রসঙ্গ তুলেছেন, সেটা যেহেতু আদালতে ফয়সালা হয়ে গেছে, উনি সংসদ-সদস্য হিসেবে এখানে আসেননি। তাই উনি সংসদ-সদস্য নন। তার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং আদালত রায় দিয়েছে। এখানেই শেষ।’
স্পিকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে বলেন, ‘পয়েন্ট অব অর্ডারের বিষয়ে আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে দিন। কিন্তু আসলাম চৌধুরী সংসদ-সদস্য নয়, তবে আপনার ব্যাখ্যা সঠিক।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন